তাহলে কি মিলল সেই নিখোঁজ সালা?


ক্রীড়া ডেস্ক: | Published: 2019-02-05 12:49:58 BdST | Updated: 2019-05-21 12:44:11 BdST

এমিলিয়ানো সালা

গত ২১ জানুয়ারি ফরাসি ক্লাব নতেঁ থেকে ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের দল কার্ডিফ সিটিতে যোগ দিতে ইংল্যান্ডে যাওয়ার পথে ইংলিশ চ্যানেলে নিখোঁজ হয়েছিল আর্জেন্টাইন ফুটবলার এমিলিয়ানো সালাকে বহনকারী বিমান।

তিন দিন অনুসন্ধানের পর কর্তৃপক্ষ হাল ছেড়ে দেয়ায় মাঝে বন্ধ হয়ে গিয়েছিল নিখোঁজ সেই বিমানের উদ্ধার অভিযান।

এর পর ব্যক্তিউদ্যোগে উদ্ধার কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার জন্য তহবিল সংগ্রহ শুরু করে সালার পরিবার। নতুন করে উদ্ধার অভিযান শুরুর সময়ও ক্ষীণ আশা ছিল হয়তো বেঁচে আছেন সালা।

কিন্তু সবার সব চেষ্টা ও প্রার্থনা শেষ পর্যন্ত বিফলে গেল। প্রায় দুই সপ্তাহ খোঁজ করার পর অবশেষে ফ্রান্সের কাছাকাছি ইংলিশ চ্যানেলের একটি দ্বীপে সালা ও তার পাইলট ডেভিড ইবোটসনকে নিয়ে নিখোঁজ হওয়া সেই বিমানের ধ্বংসাবশেষ পাওয়া গেছে।

দেখা মিলেছে একটি মৃতদেহেরও। এখন প্রশ্ন হচ্ছে- এই মৃতদেহ কি সালার নাকি পাইলটের।

তবে ধ্বংসাবশেষ পাওয়ার পর এটি আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত হওয়া গেল বিমান দুর্ঘটনাতেই প্রাণ হারিয়েছেন সালা ও ইবোটসন।

রোববার বিমানটির ধ্বংসাবশেষ শনাক্ত করা হয়। সালার পরিবারের অর্থায়নে নিয়োজিত অনুসন্ধানকারী দলের এক বার্তায় এ কথা জানানো হয়েছে।

ইংলিশ চ্যানেলের দুর্গম দ্বীপ গার্নসি থেকে ফেরার পর ওই দলের ধ্বংসাবশেষ অনুসন্ধান বিশেষজ্ঞ ডেভিড মির্নস বলেন, বিমানের ধ্বংসাবশেষ শনাক্ত হওয়ার বিষয়টি সালা ও পাইলট ইবোটসনের পরিবারকে জানানো হয়েছে। পাশাপাশি ভিডিও ফুটেজে দেখা গেছে একটি মৃতদেহও।

মির্নস বলেন, ‘অবিরাম অনুসন্ধানের পর আমরা এই সর্বোচ্চ ফলই দিতে পারলাম সালা ও ডেভিডের স্বজনদের।’

এ বিষয়ে ব্রিটিশ এয়ার অ্যাক্সিডেন্টস ইনভেস্টিগেশন ব্রাঞ্চ (এএআইবি) জানায়, বিমানটি গার্নসি দিয়ে ওড়ার সময়ই জরুরি অবতরণের জন্য অনুমতি চায়। এর পরই যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।

তখন সেটি প্রায় আড়াই হাজার ফুট ওপর দিয়ে উড়ছিল। ব্রিটিশ সরকার প্রায় তিন দিন অনুসন্ধান চালিয়ে কার্যক্রমের সমাপ্তি টানে।

তবে ফুটবল অঙ্গনের শুভানুধ্যায়ী ও পরিচিতদের সহযোগিতায় সালার পরিবার অনুসন্ধানে নামায় মির্নসের নেতৃত্বে একটি বিশেষজ্ঞ দলকে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত খুব আশার কোনো সংবাদ দিতে পারলেন না মির্নসরা।

এ বিশেষজ্ঞ বলেন, ‘আমাদের সমবেদনা সালা ও ডেভিডের পরিবারের প্রতি। আরওভি (গভীর জলে পরিচালিত অনুসন্ধান যন্ত্র) দিয়ে অভিযান চালিয়ে আমরা বিমানটির হদিস পেয়েছি।’

সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।