ঢাকা রবিবার, ২৯শে নভেম্বর ২০২০, ১৫ই অগ্রহায়ণ ১৪২৭


হংকংয়ে একসঙ্গে ১৯ এমপির পদত্যাগ


প্রকাশিত:
১২ নভেম্বর ২০২০ ১০:১৮

আপডেট:
২৯ নভেম্বর ২০২০ ১১:০১

ছবি: সংগৃহীত

হংকংয়ের প্রশাসন বিরোধী দলের চার আইনপ্রণেতাকে ‘অযোগ্য’ ঘোষণা করার পরপরই একসঙ্গে পদত্যাগের ঘোষণা দেন বাকি ১৫ আইনপ্রণেতাও।

বুধবার সংবাদ সম্মেলনে তারা বলেন, ‘কেন্দ্রীয় সরকারের আগ্রাসী নীতি আমাদের সহকর্মীদের অবৈধভাবে অযোগ্য ঘোষণা করেছে। আমরা জানি ভবিষ্যতে গণতন্ত্রের লড়াইয়ে আমাদের অনেক বাধার সম্মুখীন হতে হবে। কিন্তু আমরা কখনই হাল ছাড়ব না।’

গণতন্ত্রপন্থী আইনপ্রণেতাদের একজন হংকং ডেমোক্রেটিক পার্টির চেয়ারম্যান উ চাই-ওয়াই বলেন, ‘বৃহস্পতিবার আমরা পদত্যাগপত্র জমা দেব।’ বিবিসি।

বুধবার পাশ করা বেইজিংয়ের পার্লামেন্টের রেজ্যুলেশনে বলা হয়, ‘জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকি মনে করলে হংকংয়ের প্রশাসন আইনসভার সদস্যদের অযোগ্য ঘোষণা করতে পারবেন।

এই রেজ্যুলেশন পাসের কিছুক্ষণের মধ্যেই হংকংয়ের প্রশাসন ঘোষণা দেয়, ‘আলফিন ইয়েং, ডেনিস ওক, ওক কা-ডশ এবং কেনেথ লিউং খুব শিগগিরই আইনসভায় নিজেদের যোগ্যতা হারাবেন।’

হংকংয়ের প্রশাসক ক্যারি লাম আইনপ্রণেতাদের অযোগ্য ঘোষণা করার ব্যাখ্যায় বলেন, এটি সাংবিধানিক, বৈধ, কারণসম্মত এবং প্রয়োজনীয় ছিল।’

হংকংয়ে বেইজিংপন্থী কমিটিই প্রশাসক নির্বাচিত করে। লেজিসলেটিভ কাউন্সিলের ৭০টি আসন সরাসরি নির্বাচিত করা হয় বাকি অর্ধেক আসন নির্বাচিত করতে হংকংয়ের ৭৫ লাখ অধিবাসী ভোট দিতে পারেন। তাই হংকংয়ের আইনসভায় চীনপন্থীরাই মূলত আইন নির্ধারণ করেন।

হংকংকে ব্রিটিশদের কাছ থেকে গ্রহণ করার পর চীন অঞ্চলটির ৫০ বছরের আধা-স্বায়ত্তশাসনের নিশ্চয়তা দিয়েছিল। কিন্তু দিন দিন হংকংয়ের ওপর চীনের দমন-পীড়ন বাড়ছে। এ বছরের জুলাইতে চীন বিতর্কিত নিরাপত্তা আইন পাস করে।

এই আইনে হংকংয়ে চীন বিরোধী কার্যকলাপ, গণতন্ত্রপন্থী বিক্ষোভ, ছাত্র-রাজনীতি নিষিদ্ধ করে যাবজ্জীবন পর্যন্ত শাস্তির বিধান রাখা হয়।



আপনার মূল্যবান মতামত দিন:


Top