মোহাম্মদপুরে যৌথ বাহিনীর অভিযান নিয়ে যা জানালো আইএসপিআর
প্রকাশিত:
২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ ১৩:০৪
আপডেট:
৩ এপ্রিল ২০২৫ ১৩:৪৪

ঢাকার মোহাম্মদপুর এলাকার চাঁদ উদ্যানে যৌথবাহিনীর অভিযানে দুইজন নিহত ও ৫ সন্ত্রাসীকে আটকের বিষয়ে বিস্তারিত জানিয়েছে আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর)।
বৃহস্পতিবার (২০ ফেব্রুয়ারি) আইএসপিআরের সহকারী পরিচালক রাশেদুল আলম খানের সই করা এ সংক্রান্ত একটি বিজ্ঞপ্তি গণমাধ্যমে সরবরাহ করা হয়।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, রাজধানীর মোহাম্মদপুরের চাঁদ উদ্যান এলাকায় ছিনতাইয়ের প্রস্তুতি নিচ্ছে এমন তথ্যের ভিত্তিতে বুধবার দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে যৌথবাহিনীর একটি দল অভিযান চালায়। অভিযানের সময় যৌথ বাহিনীর সদস্যরা একটি গলির দুই পাশে ঘেরাও করলে সন্ত্রাসীরা একটি একতলা ভবনের ছাদ থেকে আভিযানিক দলটির ওপর অতর্কিত গুলি চালায়। আভিযানিক দলটি আত্মরক্ষার্থে তৎক্ষণাৎ পাল্টা ব্যবস্থা গ্রহণ করে এবং ৫ জন সন্ত্রাসীকে অস্ত্রসহ আটক করতে সক্ষম হয়।
এতে আরও বলা হয়, পরে বাড়িটিতে তল্লাশি চালিয়ে ছাদের ওপর থেকে দুইজনের মৃতদেহ উদ্ধার করে। আটক ব্যক্তিদের কাছ থেকে একটি পিস্তল, চার রাউন্ড গুলি এবং একটি চাপাতি উদ্ধার করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য মোহাম্মদপুর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
জনগণের জানমালের নিরাপত্তা রক্ষার্থে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানায় আইএসপিআর।
রাজধানীর মোহাম্মদপুরে যৌথ বাহিনীর অভিযানকালে নিহত দুইজন হলেন- ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার নুরাবাদ গ্রামের মিরাজ হোসেন (২৫)। তিনি মোহাম্মদপুরের চাঁদ উদ্যান এলাকার ৮ নম্বর রোডে ভাড়া থাকতেন। অপরজন হলেন, শরিয়তপুর জেলার গোসাইর হাটের দেশভুয়াই গ্রামের মো. জুম্মন (২৬)। তিনি চাঁদ উদ্যান এলাকার ৫ নম্বর রোডের একটি বাসায় ভাড়া থাকতেন। তাদের মরদেহ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে।
আটক হয়েছেন- ভোলা জেলার দুলারহাট থানার নীলকমল এলাকার মো. হোসেন (২৩), একই জেলার লালমোহন উপজেলার মিরাজ (২৫), মমিনুল (২০), মেহেদী (১৭) এবং বরিশালের মুলাদী উপজেলার মো. আল আমিন (২৪)।
তারা সবাই চাঁদ উদ্যান ও কেরানীগঞ্জ এলাকায় ভাড়া থাকেন। তারা মোহাম্মদপুর থানা হেফাজতে রয়েছেন। তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।
আপনার মূল্যবান মতামত দিন: