সোমবার, ২৫শে মে ২০২৬, ১১ই জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
ছবি: মামুন রশীদ
জ্বালানি সাশ্রয়, বৈদেশিক মুদ্রা সংরক্ষণ এবং রাজস্ব আয় বাড়ানোর লক্ষ্যে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জাতীয় বাজেটে মোটরযান আমদানির শুল্ক-কর হার যৌক্তিক করার দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ রিকন্ডিশন্ড ভেহিক্যালস ইম্পোর্টার্স অ্যান্ড ডিলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বারভিডা)। একই সঙ্গে আমদানি নীতিমালায় প্রয়োজনীয় সহায়তা দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে সংগঠনটি।
শনিবার (২ মে) রাজধানীতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব দাবি তুলে ধরেন বারভিডার সভাপতি আবদুল হক।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, জ্বালানি সাশ্রয়ী হাইব্রিড ও প্লাগ-ইন হাইব্রিড গাড়ির ওপর বিদ্যমান শুল্ক কমানো জরুরি। পাশাপাশি গণপরিবহন হিসেবে ব্যবহৃত মাইক্রোবাসের সম্পূরক শুল্ক প্রত্যাহার এবং জাপান থেকে আমদানি করা রিকন্ডিশন্ড বৈদ্যুতিক (ইভি) গাড়ির ওপর কর হ্রাসের প্রস্তাব দেন তিনি।
আবদুল হক বলেন, ইলেকট্রিক গাড়ি শিল্পে সরকারের প্রণোদনার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে রিকন্ডিশন্ড ইভি আমদানিতে কর ছাড় দেওয়া হলে পরিবেশবান্ধব যানবাহনের ব্যবহার বাড়বে। এতে জ্বালানি ব্যয় কমার পাশাপাশি বৈদেশিক মুদ্রার ওপর চাপও কমবে।
তিনি আরও বলেন, প্রস্তাবিত সুবিধাগুলো বাস্তবায়িত হলে গাড়ির দাম মধ্যবিত্তের নাগালের মধ্যে আসবে। এতে বাজার সম্প্রসারণের পাশাপাশি সরকারের রাজস্ব আয়ও বাড়বে।
বর্তমান অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপটে রাজস্ব আয় বাড়ানো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ উল্লেখ করে তিনি বলেন, বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান বাড়ানো পাশাপাশি দারিদ্র্য কমাতে কাঙ্ক্ষিত রাজস্ব আহরণ প্রয়োজন। এ ক্ষেত্রে মোটরযান খাতে যৌক্তিক শুল্ক কাঠামো অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডকে ত্বরান্বিত করতে পারে।
বারভিডা সভাপতির মতে, প্রস্তাবিত সংস্কার বাস্তবায়িত হলে দেশে মানসম্মত, নিরাপদ ও আধুনিক পরিবহন ব্যবস্থা গড়ে উঠবে। একইসঙ্গে সরকার ও বেসরকারি খাতের সমন্বয়ে রাজস্ব আয় বৃদ্ধিতেও ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।