এবার ১৫ অবৈধ বাংলাদেশি অভিবাসীকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য
প্রকাশিত:
২৯ আগস্ট ২০২৫ ১১:১৩
আপডেট:
২৯ আগস্ট ২০২৫ ১২:৩৫

আমেরিকার পর এবার অবৈধ ১৫ বাংলাদেশি অভিবাসীদের ফেরত পাঠাচ্ছে যুক্তরাজ্য সরকার। ইতোমধ্যে দেশটি ১৫ বাংলাদেশিকে দেশে ফেরত পাঠিয়েছে। এসব অভিবাসীর বিরুদ্ধে অভিবাসন আইন লঙ্ঘনের অভিযোগ রয়েছে।
বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় রাত ১০টায় (বাংলাদেশ সময় রাত ৩টা) লন্ডনের স্ট্যানস্টেড বিমানবন্দর থেকে একটি চার্টাড ফ্লাইটে ১৫ জনকে ফেরত পাঠানো হয়। আজ শুক্রবার (২৯ আগস্ট) দুপুরে তাদের ঢাকায় পৌঁছানোর কথা রয়েছে।
বাংলাদেশ মিশন লন্ডনের পক্ষ থেকে গত মঙ্গলবার (২৬ আগস্ট) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পাঠানো এক জরুরি চিঠিতে জানানো হয়, যুক্তরাজ্য থেকে যে ১৫ জন ফেরত আসছেন তাদের মধ্যে ৬ জনের পাসপোর্ট (বৈধ ই-পাসপোর্ট এবং মেয়াদোত্তীর্ণ এমআরপি) রয়েছে বিধায় কোনো প্রকার সাক্ষাৎকার গ্রহণের প্রয়োজন হয়নি। ওই ৬ জনের মধ্যে ৩ জনের বৈধ পাসপোর্ট রয়েছে বিধায় তাদের বাংলাদেশে ফেরত আসতে ট্রাভেল পারমিটের প্রয়োজন নেই। বাকি ৩ জনের বৈধ পাসপোর্ট না থাকায় তাদের অনুকূলে স্বাক্ষরিত এসওপি অনুযায়ী ট্রাভেল পারমিট দেওয়া হয়েছে। অবশিষ্ট ৯ জনের পাসপোর্ট না থাকায় তাদের বিভিন্ন সময়ে বাংলাদেশ হাইকমিশনের কর্মকর্তার মাধ্যমে ইন্টারভিউ গ্রহণ করে জাতীয়তা/পরিচয় নিশ্চিত করা হয় এবং তাদের ট্রাভেল পারমিট দেয়া হয়েছে।
বাংলাদেশ হাইকমিশন, লন্ডনের কনসুলার শাখা এসব অভিবাসীর দেশে ফেরার জন্য ট্রাভেল পারমিট ইস্যু করেছে। ফেরত পাঠানোদের মধ্যে কেউ বৈধ পাসপোর্টধারী, কেউ মেয়াদোত্তীর্ণ পাসপোর্টধারী। যাত্রীদের মধ্যে সিলেট, সুনামগঞ্জ, মৌলভীবাজার, কুমিল্লা, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, চট্টগ্রাম, নোয়াখালী ও ঢাকার বিভিন্ন জেলার বাসিন্দা রয়েছেন। তালিকায় নারী অভিবাসীও আছেন।
যুক্তরাজ্য কর্তৃপক্ষ অভিবাসন আইন কঠোরভাবে প্রয়োগ করছে এবং বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে সমন্বয় করে এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন করছে।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা জানান, অনেক অভিবাসী ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও অবস্থান করে থাকেন। যুক্তরাজ্য নিজস্ব আইন অনুযায়ী তাদের ফেরত পাঠাচ্ছে, যা নিয়মিত প্রক্রিয়ার অংশ।
এর আগে ২ আগস্ট যুক্তরাষ্ট্র থেকে এক নারীসহ ৩৯ বাংলাদেশিকে একটি বিশেষ সামরিক বিমানে (সি-১৭) দেশে ফেরত পাঠানো হয়।
আপনার মূল্যবান মতামত দিন: