বৃহঃস্পতিবার, ৩রা এপ্রিল ২০২৫, ২০শে চৈত্র ১৪৩১


নিউইয়র্ক টাইমসে বাংলাদেশ বিরোধী প্রতিবেদন, ইন্ধন দিচ্ছে কে?


প্রকাশিত:
২ এপ্রিল ২০২৫ ১২:২০

আপডেট:
৩ এপ্রিল ২০২৫ ১২:৪৯

ছবি সংগৃহীত

২০১৬ সালে মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের সময় ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছিলেন, সাংবাদিকেরা হলেন সবচেয়ে অসৎ প্রকৃতির লোক। এটি তিনি বলেছিলেন এক প্রচণ্ড ক্ষোভ থেকে। কারণ দ্য নিউইয়র্ক টাইমসের মতো বিখ্যাত পত্রিকা ছাপিয়েছিল ভুয়া জনমত জরিপের হিসাব, যাতে দেখানো হয়েছিল জনমত ট্রাম্পের বিরুদ্ধে। ট্রাম্প কোনোভাবেই নির্বাচনে জয়ী হতে পারবেন না। কিন্তু ট্রাম্প নির্বাচনে জিতে যান। আর তাতে প্রমাণিত হয় নিউইয়র্ক টাইমসের মতো পত্রিকার জনমত জরিপ ছিল একেবারে বানোয়াট। ওই নির্বাচনকালে বিভিন্ন মার্কিন পত্রপত্রিকায় ডোনাল্ড ট্রাম্পের ভাবমূর্তিকে বিবর্ণ করার জন্য প্রচার করা হয়েছিল নানা কুৎসা। ২০১৬ সালের সেই মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের সময় আমরা দেখেছিলাম মার্কিন পত্রপত্রিকা কত মিথ্যা কথা বলতে পারে। এ থেকে বুঝতে পারা যায় পৃথিবীর অন্যান্য দেশের মতো মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রেও হলুদ সাংবাদিকতা চলতে পারে।

বাংলাদেশে মৌলবাদের উত্থান ঘটে চলেছে এমন ভারতীয় বয়ান এখন নিউইয়র্ক টাইমসের পাতায়। ভারতের স্বার্থে সেখানে এক বাংলাদেশ বিরোধী সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে। নিউইয়র্ক টাইমসের ভারত তথা দক্ষিণ এশিয়ার ব্যুরো চিফ মুজিব মাশালের রিপোর্ট প্রকাশিত হয় ১ এপ্রিল ২০২৫। যার শিরোনাম দেওয়া হয়, As Bangladesh Reinvents Itself, Islamist Hard-Liners See an Opening. অর্থাৎ বাংলাদেশ যখন নিজেকে পুনর্গঠন করছে তখন ইসলামী চরমপন্থীরা একটি সুযোগের সন্ধান করছে।

নিউইয়র্ক টাইমসের সাংবাদিক মুজিব মাশাল আফগানিস্তানের কাবুলে জন্মগ্রহণকারী ব্যক্তি। তিনি নয়া দিল্লি থেকে নিউইয়র্ক টাইমসের খবরা-খবর পরিবেশনের দায়িত্ব পালন করেন। তার কর্ম দায়িত্বের এলাকা হলো ভারত, বাংলাদেশ, শ্রীলঙ্কা, নেপাল, ভুটান ও মালদ্বীপ। অর্থাৎ পাকিস্তান ছাড়া পুরো দক্ষিণ এশিয়ার দায়িত্বে রয়েছেন তিনি। উল্লেখ্য নিউইয়র্ক টাইমস এবং অপরাপর বিখ্যাত অনেক ইউরোপীয়-আমেরিকান গণমাধ্যম এবং নিউজ এজেন্সিগুলো সংবাদকর্মী হিসেবে ভারতীয় কিংবা দক্ষিণ এশিয়ার লোকদের নিযুক্ত করে থাকে। এতে ওইসব আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমগুলো ইউরোপীয়-আমেরিকান নাগরিকদের তুলনায় কয়েক গুণ কম বেতনে কর্মচারী নিয়োগ করতে পারে। এতে তাদের বিপুল পরিমাণ অর্থের সাশ্রয় হয়। কিন্তু এর ফলে রিপোর্টিংয়ের মান হয়ে পড়ে খারাপ। রিপোর্টগুলো হয়ে যায় ভারতীয় স্বার্থের অনুকূলে।

যাই হোক, নিউইয়র্ক টাইমসের প্রকাশিত ওই রিপোর্টে বলা হয়, 'সাড়ে সতেরো কোটি জনসংখ্যার বাংলাদেশে রাজনৈতিক শূন্যতা থেকে ধর্মীয় রক্ষণশীলতার একটি প্রবাহ সৃষ্টি হয়েছে। চরমপন্থীরা প্রথমে নারীদের শরীরের উপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে তাদের অবস্থান জানান দিতে শুরু করে। বাংলাদেশে স্বৈরাচারী শাসকের পতনের পর যে রাজনৈতিক শূন্যতা সৃষ্টি হয়েছে, সেই সুযোগে এক শহরের ধর্মীয় মৌলবাদীরা ঘোষণা করেছে যে যুবতী নারীরা আর ফুটবল খেলতে পারবে না। অন্য একটি শহরে, তারা পুলিশের ওপর চাপ সৃষ্টি করে এমন এক ব্যক্তিকে মুক্ত করতে বাধ্য করেছে, যে প্রকাশ্যে এক নারীকে হয়রানি করেছিল শুধুমাত্র চুল না ঢাকার কারণে। পরে তারা সেই ব্যক্তিকে ফুলের মালা পরিয়ে সম্মানিত করেছে। এরপর আরও উগ্র দাবি সামনে আসে। রাজধানী ঢাকায় এক সমাবেশে বিক্ষোভকারীরা সরকারকে হুঁশিয়ারি দিয়ে জানায় যে, যদি ইসলাম অবমাননাকারীদের মৃত্যুদণ্ড না দেওয়া হয়, তবে তারা নিজেরাই শাস্তি কার্যকর করবে। এর কয়েকদিন পর, নিষিদ্ধ ঘোষিত একটি দল এক বিশাল মিছিল বের করে এবং সেখানে তারা ইসলামী খেলাফত প্রতিষ্ঠার দাবি তোলে। বাংলাদেশ যখন তার গণতন্ত্র পুনর্গঠনের চেষ্টা করছে এবং সাড়ে সতেরো কোটি মানুষের জন্য একটি নতুন ভবিষ্যৎ নির্মাণ করতে চাইছে, তখন দেশটির দীর্ঘদিনের ধর্মনিরপেক্ষ পরিচয়ের নিচে লুকিয়ে থাকা উগ্র ইসলামপন্থার স্রোত আবার মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে।'

নিউইয়র্ক টাইমসের পত্রিকার ওই রিপোর্টে দাবি করা হয়, 'তারা বেশ কয়েকটি ইসলামপন্থী দল ও সংগঠনের প্রতিনিধিদের সাক্ষাৎকার নিয়েছে। সেসবের মধ্যে কতক সংগঠন কিছু কাল আগেও নিষিদ্ধ ছিল। তারা নাকি নিউইয়র্ক টাইমসকে স্পষ্ট করে জানিয়েছে যে বাংলাদেশকে তারা আরও মৌলবাদী পথে নিয়ে যেতে কাজ করছে, যা দেশের বাইরের বিশ্বে খুব কমই নজরে এসেছে।'

নিউইয়র্ক টাইমসের ভাষ্যমতে, 'রাজনৈতিক মহলের কর্মকর্তারা, যারা নতুন সংবিধান প্রণয়নের কাজে যুক্ত, তারা স্বীকার করেছেন যে নতুন সংবিধানে ধর্মনিরপেক্ষতা আর মূলনীতি হিসেবে থাকবে না, বরং বহুত্ববাদ গ্রহণ করা হবে এবং দেশকে আরও ধর্মীয়ভাবে সংজ্ঞায়িত করা হবে।'

নিউইয়র্ক টাইমস আরও লিখেছে, 'বাংলাদেশে এই মৌলবাদী পরিবর্তনটি বিশেষ করে নারী শিক্ষার্থীদের জন্য উদ্বেগজনক, যারা দেশের দমনমূলক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে সরানোর আন্দোলনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল। তারা একদলীয় শাসনব্যবস্থার পরিবর্তে গণতান্ত্রিক বহুমুখিতা প্রতিষ্ঠার স্বপ্ন দেখেছিল। কিন্তু এখন তারা দেখতে পাচ্ছে যে ধর্মীয় উগ্রবাদ বাড়ছে, যা নারী ও সংখ্যালঘু সম্প্রদায়কে বিশেষভাবে ঝুঁকির মধ্যে ফেলছে। সমালোচকরা বলছেন ৮৪ বছর বয়সী নোবেল বিজয়ী মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকার চরমপন্থীদের বিরুদ্ধে যথেষ্ট কঠোর ব্যবস্থা নিচ্ছে না। তারা অভিযোগ করছে যে ইউনূস গণতান্ত্রিক সংস্কারের জটিলতায় আটকে পড়েছেন, সংঘাত এড়াতে চাইছেন এবং চরমপন্থীদের ক্রমবর্ধমান প্রভাবের বিরুদ্ধে কোনো সুস্পষ্ট দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরতে ব্যর্থ হচ্ছেন।'

নিউইয়র্ক টাইমসের এমন রিপোর্ট থেকে স্পষ্টত বোঝা যায় যে হাসিনা পরবর্তী যুগে ভারতীয় পত্রপত্রিকা গত সাত মাস ধরে যেভাবে বাংলাদেশ বিরোধী প্রোপাগান্ডা চালিয়ে যাচ্ছে এখন সেসবের প্রভাব পড়েছে মার্কিন পত্রিকা নিউইয়র্ক টাইমসের ওপর। অথচ বাংলাদেশের অবস্থা সম্পূর্ণ এর বিপরীত। যে কয়েকটি ঘটনার উদ্ধৃতি দিয়ে নিউইয়র্ক টাইমস রিপোর্টটি করেছে সেসব ঘটনা নিতান্তই বিচ্ছিন্ন কর্মকাণ্ড। বাংলাদেশের মানুষ ওইসব ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে এবং প্রশাসনও দ্রুততার সাথে পদক্ষেপ নিয়েছে। কিন্তু নিউইয়র্ক টাইমস তা এড়িয়ে গিয়েছে। বস্তুত বাংলাদেশের মানুষ গত সাত মাস ধরে নজিরবিহীন সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রেখে চলেছে। তারা সব ধরনের ধর্মীয় চরমপন্থার পথ পরিহার করে চলেছে। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের যথাযথ পদক্ষেপ নেওয়ার কারণে, গত বছর দেশের তিনটি সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের তিনটি বৃহৎ ধর্মীয় উৎসব নির্বিঘ্নে পালিত হয়েছে। যেমন গত অক্টোবরে হিন্দুদের দুর্গাপূজা, নভেম্বরে বৌদ্ধদের কঠিন চীবর দান উৎসব এবং ডিসেম্বরে খ্রিস্টানদের ক্রিসমাস শান্তিপূর্ণ ও যথাযথ মর্যাদায় উদযাপিত হয়েছে। নিউইয়র্ক টাইমসের ওই রিপোর্টে এসব ভালো কাজের কোনোই উল্লেখ করা হয়নি। অথচ ভারতে বসে যে সাংবাদিক নিউইয়র্ক টাইমসের সদর দপ্তরে খবরাখবর পাঠাচ্ছেন সেই ভারতেই চোখের সামনে প্রকাশ্য দিবালোকে বিজেপির চরমপন্থী হিন্দুত্ববাদীদের হাতে প্রতিনিয়ত মুসলিমরা নিগ্রহের শিকার হয়ে চলেছে। অথচ এ বিষয়ে নিউইয়র্ক টাইমসের দক্ষিণ এশিয়ার ব্যুরো প্রধান রয়েছেন এক প্রকার নীরব।

নিউইয়র্ক টাইমসে ওই রিপোর্ট প্রকাশিত হওয়ার পরপরই বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকার তাৎক্ষণিকভাবে এর প্রতিবাদ জানিয়েছে। সি এ প্রেস উইংয়ের ফেসবুকে দেওয়া এক বিবৃতিতে বলা হয়, 'নিউইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদনটি বিভ্রান্তিকর ও একপক্ষীয়। ওই প্রতিবেদনটি শুধু রাজনৈতিক ও সামাজিক বাস্তবতাকে সরলীকৃতভাবে তুলে ধরে না, বরং ১৮ কোটি মানুষের একটি জাতিকে অন্যায়ভাবে কলঙ্কিত করে। বাংলাদেশ গত বছর অভূতপূর্ব অগ্রগতি সাধন করেছে, যা এই প্রতিবেদনে উপেক্ষিত হয়েছে। বরং কিছু বিচ্ছিন্ন ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিভ্রান্তিকর ও পক্ষপাতদুষ্ট ব্যাখ্যা দেওয়া হয়েছে, যা দেশের প্রকৃত অবস্থা তুলে ধরে না।'

হিন্দুত্ববাদী বিজেপির নেতারা এবং এদের অনুচরদের সকলেই মৌলবাদ বা মৌলবাদী শব্দটা ইদানীং ঘন ঘন ব্যবহার করে। এদের চোখে মুসলমান মানেই মৌলবাদী। এখন নিউইয়র্ক টাইমস ও এর রিপোর্টার মুজিব মাশাল দাবি করছেন বাংলাদেশ মৌলবাদী হয়ে গেছে। অথচ এরা মৌলবাদী শব্দের উৎপত্তি, আবিষ্কার ও বিস্তার সম্পর্কে বেখবর থাকার ভান করছে। মুজিব মাশাল কী জানেন মৌলবাদী শব্দের উৎপত্তি ও বিস্তারকালে খোদ আমেরিকাকেই মৌলবাদী বলে তিরস্কার করা হতো?

১৯৭৯ সালে তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়ন আফগানিস্তান দখল করেছিল। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সে সময় আফগানিস্তান থেকে সোভিয়েত বাহিনীকে তাড়িয়ে দেওয়ার জন্য আফগান মুজাহিদদের অর্থ,অস্ত্র ও প্রশিক্ষণ সহায়তা দিয়েছিল। মার্কিন প্রেসিডেন্ট রোনাল্ড রেগন আফগান মুজাহিদদের হোয়াইট হাউজে ডেকে নিয়ে বীরোচিত সম্মান প্রদান করেছিলেন। এতে সোভিয়েত ইউনিয়নপন্থী কমিউনিস্টরা ক্ষিপ্ত হয়। তারা আফগান মুজাহিদ বাহিনী ও তাদের সমর্থকদের মৌলবাদী আখ্যা দেয়। তাদের বলে প্রতিক্রিয়াশীল শক্তি। আর এর বিপরীতে কমিউনিস্টরা নিজেদেরকে দাবি করে প্রগতিশীল শক্তি। এভাবে মৌলবাদ শব্দটা প্রগতিশীল কমিউনিস্টদের হাতে চালু ও তৈরি হয়। আর তখন আফগানদের পাশাপাশি আমেরিকাকেও মৌলবাদী বলা হয়েছিল। তখন আমেরিকা, পাকিস্তানসহ যারাই সোভিয়েত ইউনিয়ন কর্তৃক আফগানিস্তান দখলের বিরোধিতা করেছিল তাদের সকলেই কমিউনিস্টেরা মৌলবাদী বলে ট্যাগ দেওয়া শুরু করেছিল। ভারত সে সময় সোভিয়েত ইউনিয়নের আফগানিস্তান দখলকে সমর্থন করেছিল। সেই ধারাবাহিকতায় পরবর্তীকালে বিজেপি নেতা বাজপেয়ীর শাসনামলে (১৯৯৯-২০০৪) ভারতে মুসলমানদেরকে মৌলবাদী বলে ট্যাগ দেওয়া শুরু হয়েছিল।

যাই হোক, বর্তমানে ভারতের ধর্মনিরপেক্ষতা নিথর হয়ে পড়ে রয়েছে ভারতীয় সংবিধানের কাগুজে পাতায়। বাস্তবে সেদেশে বিজেপির উগ্র হিন্দুত্ববাদ মাঠে দাপট দেখাচ্ছে। যার ফলে ভারতীয় মুসলিমসহ অপরাপর সংখ্যালঘুরা নিপীড়িত হচ্ছে প্রতিনিয়ত। ওদিকে নিউইয়র্ক টাইমসের দেশ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আইন-কানুনে কোনো একটি ধর্মকে বিশেষ প্রাধান্য দেওয়া না হলেও সে দেশের সমাজ ও রাজনীতিতে খ্রিস্টান ধর্মের রয়েছে ব্যাপক প্রভাব। ২০১৭ সালে সে দেশের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে দেখা গিয়েছিল যে তিনি দায়িত্বভার গ্রহণকালে ধর্মগ্রন্থ বাইবেলের ওপর হাত রেখে নিচ্ছেন শপথ। এবারও তার পাশে দুটি বাইবেল হাতে নিয়ে দাঁড়িয়েছিলেন তার স্ত্রী। ট্রাম্পের পূর্বে দায়িত্ব পালনকারীদের অধিকাংশই পালন করেছিলেন একই রীতি। উচ্চারণ করেছিলেন, 'So help me God' শব্দমালা। মার্কিন প্রেসিডেন্টের অভিষেক অনুষ্ঠান, মার্কিন কংগ্রেসের নিম্নকক্ষ (হাইজ অফ রিপ্রেজেন্টেটিভ) এবং উচ্চকক্ষ (সিনেট) এই উভয় কক্ষের অধিবেশন এসব শুরুর আগে প্রার্থনা অনুষ্ঠিত হয়। এভাবেই ধর্ম নিরপেক্ষতা হয়ে থাকছে বায়বীয়।

জুবায়ের হাসান ।। রাজনৈতিক বিশ্লেষক



আপনার মূল্যবান মতামত দিন:


রিসোর্সফুল পল্টন সিটি (১১ তলা) ৫১-৫১/এ, পুরানা পল্টন, ঢাকা-১০০০।
মোবাইল: ০১৭১১-৯৫০৫৬২, ০১৯১২-১৬৩৮২২
ইমেইল : [email protected], [email protected]
সম্পাদক: মো. জেহাদ হোসেন চৌধুরী

রংধনু মিডিয়া লিমিটেড এর একটি প্রতিষ্ঠান।

Developed with by
Top