সোমবার, ২৫শে মে ২০২৬, ১১ই জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
ছবি : সংগৃহীত
কয়েক দফার ভারী বৃষ্টিতে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় তৈরি হয়েছে অসহনীয় জলাবদ্ধতা। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন নগরবাসী।
সোমবার (২৫ মে) দুপুরে মুষলধারে বৃষ্টি শুরু হয়। এরআগে গতকাল বিকেলে ও রাতেও কয়েক দফায় বৃষ্টি হয়েছে।
সরেজমিনে ঢাকার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, বৃষ্টিতে অনেক সড়কেই পানি জমে গেছে। বিশেষ করে শহরেরর অলিতেগলিতে জলাবদ্ধতা তৈরি হয়েছে। যেসব জায়গা কিছুটা উঁচু সেসব জায়গায় জলাবদ্ধতা না হলেও কাদায় একাকার হয়ে গেছে।
দুপুরের বৃষ্টিতে রাজধানীর পল্টন-জিপিও রোড, জিপিও-মাজার রোড, স্টেডিয়াম-গুলিস্তান মোড় রোডসহ আশপাশের এলাকার সড়কগুলোতে পানি জমে থাকতে দেখা গেছে।
জিরো পয়েন্ট এলাকায় জমে থাকা পানিতে ভিজে পথ চলছিলেন জুবায়েত হোসেন। কথা হলে তিনি বলেন, বৃষ্টিতে সব জায়গায় পানি জমে যায়। ভিজে হাঁটা ছাড়া উপায় নাই।
এদিকে, মালিবাগ-শান্তিবাগ এলাকাগুলোর অলিগলিতেও জলাবদ্ধতা দেখা গেছে। বিশেষ করে মোমেনবাগ এলাকার রাস্তায় হাঁটু পানি জমে গেছে।
স্থানীয় বাসিন্দা তাকবির আহমেদ বলেন, অল্প বৃষ্টি হলেই এই রাস্তায় জলাবদ্ধতা হয়। আমাদের ভোগান্তি দেখার কেউ নেই।
ধলপুর সিটি করপোরেশন অফিস রোডে জলাবদ্ধতা দেখা গেছে। স্থানীয়রা বলছেন, এখানে সামান্য বৃষ্টি হলেই দীর্ঘদিন জলাবদ্ধতা থাকে।
এলাকার বাসিন্দা ও ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের কর্মী জসিম বলেন, এই রোডের বাসিন্দারা প্রায় সবাই সিটি করপোরেশনে কাজ করেন। কিন্তু জলাবদ্ধতা সবাইকে ভোগায়।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, গতকাল বিকেল থেকে কয়েক দফায় বৃষ্টির কারণে রাজধানীর অনেক এলাকায় জলজটে ভোগান্তিতে পড়েছেন বাসিন্দারা।
বিশেষ করে কোরবানির হাট ও আশপাশ এলাকাগুলোতে ব্যাপক ভোগান্তি তৈরি হয়েছে। তাছাড়া বৃষ্টিতে ঈদযাত্রায় বিড়ম্বনায় পড়েছেন যাত্রীরা।
ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা এয়ার কমডোর মো. মাহাবুবুর রহমান তালুকদার বলেন, আমাদের ৩৫/৩৬টি জলাবদ্ধতার হটস্পট রয়েছে। এগুলো সমাধানে কাজ চলছে। আরও কিছু হটস্পট ছিল সেগুলো এরই মধ্যে সমাধান করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, অতিরিক্ত বৃষ্টি হলে বিভিন্ন জায়গায় জলজট তৈরি হচ্ছে। আমাদের কর্মীরা এ ব্যাপারে তৎপর আছেন।
প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা বলেন, জলাবদ্ধতা নিরসনে আমাদের কিছু কার্যক্রম চলমান আছে। এগুলো দ্রুত সময়ের মধ্য সমাপ্ত করার চেষ্টা চালানো হচ্ছে।