শুক্রবার, ৪ঠা এপ্রিল ২০২৫, ২১শে চৈত্র ১৪৩১


২৩ ঘন্টা শুয়ে থাকেন যে নারী


প্রকাশিত:
৬ সেপ্টেম্বর ২০২২ ০১:০৬

আপডেট:
৪ এপ্রিল ২০২৫ ১৮:৩৯

 ছবি : সংগৃহীত

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে লিন্ডসি জনসন নামে একজন বিবাহিত নারী দিনের বেশিরভাগ সময়ই বিছানায় শুয়ে থাকেন। কিন্তু তিনি রোগশ্যায় শায়িত নন। তিনি মাধ্যাকর্ষণের জন্য অসুস্থ। শুনতে অবাক মনে হলেও, এমনটাই বাস্তবে ঘটেছে।

লিন্ডসি জনসনের দাবি মিনিট তিনেকের বেশি তিনি দাঁড়িয়ে থাকতে পারেন না। বেশি সময় দাঁড়ালেই তিনি সংজ্ঞা হারিয়ে ফেলেন। এটা পৃথিবীতে সবচেয়ে দুর্বোধ্য রোগগুলির মধ্যে একটি।

লিন্ডসি জানান, তার মাধ্যাকর্ষণে অ্যালার্জি আছে। অবিশ্বাস্য শোনাচ্ছে, কিন্তু এটাই সত্যি। তিন মিনিটের বেশি সময় ধরে দাঁড়িয়ে থাকলেই তিনি অজ্ঞান হয়ে যান, অসুস্থ বোধ করেন। একমাত্র শুয়ে থাকলেই তিনি ভালো থাকেন। দিনে ২৩ ঘণ্টা তিনি শুয়েই থাকেন। কখনও ভাবেননি যে, মাত্র ২৮ বছর বয়সে তাকে শাওয়ার চেয়ার ব্যবহার করতে হবে।

লিন্ডসি জনসনের চিকিৎসা চলছে, অনেকটা সুস্থও হয়ে উঠেছেন তিনি, তবে পুরোপুরি নয়, পুরোপুরি হয়ে উঠবেনও না কোনো দিন। লিন্ডসি জানান, আগে যেখানে দিনে ১০বার অজ্ঞান হয়ে যেতেন, এখন সেখানে অজ্ঞান হওয়ার মাত্রা কমে দিনে তিনবারে এসেছে। তবে এখনও স্বাভাবিক মানুষের মতো দৈনন্দিন কাজকর্ম করতে অসুবিধা হয় তার। সব কাজেই তাকে তার স্বামী জেমস জনসনের সাহায্য নিতে হয়। এজন্য স্বামীর প্রতি তিনি অত্যন্ত কৃতজ্ঞ লিন্ডসি।

এক কার্ডিওলজিস্ট জানিয়েছিলেন, লিন্ডসি পটস রোগে আক্রান্ত। এই রোগে আক্রান্ত হওয়ার কারণে তাকে 'টিল্ট' টেস্ট করাতে হয়েছিল। এই পরীক্ষায় একজন রোগীর হার্ট রেট, ব্লাড প্রেশার, ব্লাড অক্সিজেন ইত্যাদির অবস্থা দেখা হয়। তবে সেই পরীক্ষা থেকেই বেরিয়ে আসে যে, লিন্ডসি এক বিরল রোগে আক্রান্ত।

লিন্ডসির দাবি, তার মাধ্যাকর্ষণে অ্যালার্জি রয়েছে এবং এই কারণে তিনি দিনে অন্তত ১০ বার অজ্ঞান হয়ে পড়েন। দিনের ২৩ ঘণ্টাই প্রায় তাকে বিছানায় শুয়ে কাটাতে হয়। মাঝে মাঝে বিছানাতেই বসে থাকেন। শুধুমাত্র স্নান ও খাওয়ার মতো প্রয়োজনীয় কাজের জন্য উঠে দাঁড়ান।



আপনার মূল্যবান মতামত দিন:


রিসোর্সফুল পল্টন সিটি (১১ তলা) ৫১-৫১/এ, পুরানা পল্টন, ঢাকা-১০০০।
মোবাইল: ০১৭১১-৯৫০৫৬২, ০১৯১২-১৬৩৮২২
ইমেইল : [email protected], [email protected]
সম্পাদক: মো. জেহাদ হোসেন চৌধুরী

রংধনু মিডিয়া লিমিটেড এর একটি প্রতিষ্ঠান।

Developed with by
Top