অভিনয় করবেন বলে বাড়ি থেকে পালিয়েছিলেন মিমি
প্রকাশিত:
১২ ডিসেম্বর ২০২০ ০০:২৭
আপডেট:
১৪ ডিসেম্বর ২০২০ ১৪:৫১

১১ বছর কলকাতার ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিতে কাটিয়ে ফেললেন মিমি চক্রবর্তী। মডেলিং, ছোট পর্দা হয়ে বড় পর্দায় নিজেকে প্রমাণ করেছেন। এখন তিনি বাংলা ছবির প্রথম সারির নায়িকা। কিন্তু কেউ ঘুণাক্ষরেও টের পাননি, অভিনয় করবেন বলে বাড়ি থেকে পালিয়ে এসেছিলেন মিমি! বলতেই পারেননি, তিনি অভিনেত্রী হতে চান।
গতকাল বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় এমন চমকে দেওয়ার মতো কথা ইনস্টাগ্রামে অনুরাগীদের সঙ্গে শেয়ার করলেন সাংসদ-তারকা নিজেই।
১১ বছর আগে ঠিক কী হয়েছিল? ‘পড়াশোনা করতে যাচ্ছি কলকাতায়’, মা-বাবাকে এই মিথ্যে বলে ভুলিয়েছিলেন তিনি। তার পর একাই চলে এসেছিলেন কলকাতা শহরে। লড়াই করে স্বপ্নজয়ের ইচ্ছে নিয়ে। বাড়ি থেকে মেয়ের খরচ হিসেবে প্রতি মাসে মা-বাবা পাঠাতেন মাত্র তিন হাজার টাকা।
মিমির কথায়,‘সেই টাকা দিয়ে খাব কী? ভাড়া দেব কী? নতুন জামা কিনব? না অডিশনে যাব! কিছুই ঠিকমতো হত না।’
এক বছর ধরে এ ভাবেই লড়ে গেছেন তিনি। হাল না ছেড়ে। সামান্য ওই ক’টা টাকা সম্বল করেই একের পর এক অডিশনে গিয়েছেন। অবশেষে প্রথম ব্রেক মডেলিংয়ে। সেখান থেকে ছোটপর্দায়। এখন তিনি বড় পর্দায়, খ্যাতির শিখরে।
অভিনেত্রীর মতে, ১১ বছর ধরে নিজেকে প্রতিষ্ঠার পর এখন তিনি চিত্রনাট্য বাছেন চরিত্র দেখে। শক্তিশালী, প্রতিবাদী চরিত্রই ইদানীং করার চেষ্টা করেন। উদাহরণ হিসেবে তিনি জানিয়েছেন তার পূজায় রিলিজ ‘ড্রাকুলা স্যার’ ছবির ‘মঞ্জরী’ চরিত্রের কথা। যা নাকি মিমির এত দিনের সমস্ত চরিত্র থেকে একটু একটু করে নিয়ে তিলে তিলে গড়ে তোলা হয়েছে।
আপনার মূল্যবান মতামত দিন: