নজর কাড়লো ওয়ানপিস খ্যাত ৪ চাকার সিএনজি
প্রকাশিত:
২৭ আগস্ট ২০২২ ০৮:৪১
আপডেট:
২৭ আগস্ট ২০২২ ০৮:৪৪

ঢাকার ধামরাইয়ে নতুন এক উদ্ভাবন চার চাকার সিএনজি। এমন গাড়ি উপজেলায় আগে কখনও চলেনি। হরেক রকম গাড়ি আর থ্রী হুইলার দেখা গেলেও কখোনো এমন চার চাকার সিএনজি দেখেনি কেউ। এখন এই সবুজ আর লাল রঙের চার চাকার সিএনজি গাড়ি দেখে হতবাক এলাকার মানুষেরা।
শুক্রবার (২৬ আগষ্ট) দুপুরে উপজেলার পৌরশহরের ধুলিভিটা বাস স্টান্ডে গিয়ে এমন দৃশ্য চোখে পড়ে।
সিএনজি একটি বহুল ব্যবহৃত যান বা গাড়ি। যা বাংলাদেশের গ্রাম্য লোকাল স্টেশন থেকে শুরু করে বড় বড় বিভাগীয় শহরগুলোতেও এই অটো পরিবহনটির চলাচল দেখা যায়। সাম্প্রতিককালে ধামরাইয়ের গ্রাম্য লোকাল সড়কে সিএনজির ব্যবহার একটু বেশি দেখা যায়।
এরই ধারাবাহিকতায় ধামরাই উপজেলার ভাড়ারিয়া ইউনিয়নের হাটিপাড়া গ্রামের মৃত রহমত আলীর ছেলে মাসুম বিল্লাহ চার চাকার ওয়ান পিস নামের একটি সিএনজি গাড়ি তৈরি করে, উপজেলার সর্বত্র সারা ফেলেছেন। গাড়িটি আটজন যাত্রীবহন করতে সক্ষম। তৈরি করতে খরচ হয়েছে প্রায় ২ লক্ষ টাকা।
ওয়ান পিস খ্যাত সিএনজি গাড়িটির উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য হচ্ছে, এটি চার চাকা বিশিষ্ট হওয়াতে রাস্তায় দুর্ঘটনা ঝুঁকি অনেকটা কম হবে। গাড়িটিতে ৬ থেকে ৮ জন যাত্রী বহন করতে সক্ষম গাড়িটির স্টেয়ারিং গোল হওয়ায় ঝাঁকুনি কম হয় তাই বসে থাকতে আরাম দায়ক। সামনে দুটি হেড লাইট,দুটি ইন্ডিকেটর রয়েছে । পেছনে দুটি পার্কিং লাইট , দুটি ইন্ডিকেটর লাইট, দুটি ব্রেক লাইট রয়েছে । গাড়িটির ইঞ্জিন ও বডির মানের দিক থেকে অন্য গাড়ির তুলনায় অনেকটাই শক্তিশালী। অনেকের ধারণা এই চার চাকার সিএনজি হতে পারে অন্যতম যানবাহন।
এলাকার স্থানীয়দের থেকে জানা যায়, তারা এর আগে এমন চার চাকার সিএনজি দেখিনি।ঝাঁকুনি কম হওয়ায় গৌতুল থেকে ঢুলিভিটা বাসস্ট্যান্ডে এখন আরামে যাতায়াত করতে পারবেন।
মোঃ মাসুম বিল্লা জানান, এই গাড়ির সাকসেকশন বডি তিনি নিজে তৈরি করেছেন। আর বাজাজ কোম্পানির ইঞ্জিন গাড়িটিতে ব্যবহার করেছেন। বিদেশ থেকে আসা গাড়ির দাম প্রায় ৫-৬ লক্ষ টাকা পড়ে আর তার এই গাড়ি তৈরি করতে ২ লাখ টাকার কম খরচ হয়েছে। গাড়িটি তিনি নিজেই চালান।
তিনি আরও জানান, এই গাড়ি আরও তৈরি করতে সরকার ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান এগিয়ে এলে ব্যাটারি চালিত অটোরিকশা কমে যেত এবং দেশের বিদ্যুৎ সাশ্রয় করাও অনেকাংশে সম্ভব হতো।
আপনার মূল্যবান মতামত দিন: