না ফেরার দেশে লতা মঙ্গেশকর
প্রকাশিত:
৭ ফেব্রুয়ারি ২০২২ ০১:০৫
আপডেট:
৪ এপ্রিল ২০২৫ ১২:৩৮

চলে গেলেন উপমহাদেশের প্রবীণ সংগীত মহাতারকা লতা মঙ্গেশকর। রোববার (০৬ ফেব্রুয়ারি) সকালে মুম্বাইয়ের ব্রিচ ক্যান্ডি হাসপাতালে করোনা আক্রান্ত হয়ে মারা যান তিনি। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৯২ বছর।
ভারতীয় বিভিন্ন গণমাধ্যম তার মৃত্যুর খবরটি নিশ্চিত করে। প্রায় চার সপ্তাহ ধরে হাসপাতালে ভর্তি থাকার পর অবস্থার উন্নতি হলেও শনিবার আচমকা তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে নেয়া হয় ভেন্টিলেশনে। সেখান থেকে আর ফেরানো যায়নি লতাকে।
করোনা আক্রান্ত হওয়ায় পর গত ১১ জানুয়ারি তাকে মুম্বাইয়ের ব্রিচ ক্যান্ডি হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছিল। নিউমোনিয়াতেও আক্রান্ত ছিলেন তিনি। প্রথম থেকেই তাকে আইসিইউতে রাখা হয়েছিল। গত ৩০ জানুয়ারি শিল্পীর করোনা নেগেটিভ রিপোর্ট আসে।
এর আগে একাধিকবার লতার শাররিক অবস্থায় অভনতি হলে বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। প্রত্যেকবারই সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে গিয়েছিলেন।
ভারতের মধ্যপ্রদেশের ইন্দোরের এক মারাঠি পরিবারে ১৯২৯ সালের ২৮ সেপ্টেম্বর লতার জন্ম। বাবা দীননাথ মঙ্গেশকর মারাঠি, তবে শাস্ত্রীয় সঙ্গীতে পারদর্শী। থিয়েটারও করতেন। আর মা সেবন্তী ছিলেন কোঙ্কনী গায়িকা। বাবা-মায়ের কাছ থেকেই শৈশবে গানের প্রতি টান তৈরি হয় লতার।
মাত্র ১৩ বছর বয়সে বাবাকে হারান তিনি। বাবার হাত ধরেই অভিনয় ও গান লেখা শুরু। ১৩-১৪ বছর বয়সেই প্রথম মারাঠি সিনেমার গানে কণ্ঠ দেন লতা। মুম্বাই যাওয়ার পর ১৯৪৮ সালে ‘মজবুর’ নামে প্রথম হিন্দি সিনেমায় গান করেন।
পাঁচ ভাইবোনের মধ্যে লতাই ছিলেন সবার বড়। চল্লিশের দশকে গায়িকা হিসেবে ক্যারিয়ার শুরু করা লতা পঞ্চাশ, ষাট-সত্তরের দশক থেকে নব্বইয়ের দশকেও চুটিয়ে প্লে-ব্যাক করেন।
হেমন্ত কুমারের হাত ধরে বাংলা ভাষ গান গাওয়া শুরু করে মোট ১৮৫টি গান গেয়েছেন। তবে বিভিন্ন তথ্যসূত্রে জানা গেছে, এ কিংবদন্তী এই গায়িকা গোটা জীবনে ৫০ হাজারেরও বেশি গান গেয়েছেন।
আপনার মূল্যবান মতামত দিন: